উপন্যাসকে সৃজনশীল সাংবাদিকতা হিসেবে দেখার এক গভীর সাহিত্যদৃষ্টির প্রকাশ এই ভাবনায় পাওয়া যায়। একটি নির্দিষ্ট সময়, স্থান ও সামাজিক বাস্তবতার ভেতর দিয়ে মানুষের জীবন, অনুভব এবং অস্তিত্বের অনুসন্ধানই উপন্যাসের মূল শক্তি। একই মানবিক গল্প ভিন্ন সময় ও ভিন্ন প্রেক্ষাপটে নতুন অর্থ ও নতুন রূপ লাভ করে।
মানুষের অভিজ্ঞতার মূল সুর হয়তো সীমিত, কিন্তু সময়, সমাজ ও পরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে সেই গল্প হয়ে ওঠে অসংখ্য বৈচিত্র্যময় আখ্যান। এই দৃষ্টিভঙ্গি লেখকের ইতিহাসচেতনা, জীবন পর্যবেক্ষণ এবং বাস্তবতার গভীরে প্রবেশের ক্ষমতাকে তুলে ধরে।