আবেদা, সংসার বিরাগিনী এবং সতী-সাধবী নারী মারুইয়াম (আ) সর্বদা নিজের নির্জন কক্ষে এবাদতে মশগুল থাকতেন এবং একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া rarely বের হতেন। একবার বাইতুল মুকাদ্দাসের কাছে একাকী অবস্থানকালে, আল্লাহর নির্দেশে ফেরেশতা জিবরাইল (আ) মানুষের আকৃতি ধারণ করে তাঁর কাছে এসে তাকে পুত্র—নবী হিসেবে—জন্মের সুসংবাদ দেন।\r\n\r\nমারুইয়াম (আ) আশ্চর্য ও ভয় পেয়েছিলেন, কারণ তিনি অবিবাহিত ছিলেন এবং কোনো পুরুষ স্পর্শ করেননি। জিবরাইল (আ) বুঝিয়েছিলেন, আল্লাহর ইচ্ছা “كن فيكون”—কেউ নির্দেশ ছাড়া সব সম্ভব। যেমন আদম (আ) মাতাপিতা ছাড়া সৃষ্টি হয়েছিলেন, তেমনি ঈসা (আ)ও পিতাহীনভাবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।\r\n\r\nপ্রথমে নবী হিসেবে আকাশে অবস্থান করলেও, তিনি উম্মতে মুহাম্মাদীর শ্রেষ্ঠত্বের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। আল্লাহ তাঁর প্রার্থনা কবুল করে শেষ জমানায় ঈসা (আ)কে উম্মতে মুহাম্মাদীতে প্রেরণ করবেন। ইমাম মাহদীর সহায়তায় তিনি পৃথিবীর প্রতিটি কুচক্রী ও প্রাপ্য স্থানে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবেন।
রূহানী কবি আলহাজ্ব হযরত মাওলানা এমামুদ্দীন মোঃ ত্বহা