বিপুল চন্দের গীতিকবিতায় মানবজীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, চাওয়া-পাওয়া এবং প্রেম-বিরহের নানা অনুভূতি জীবন্তভাবে প্রকাশ পেয়েছে। কখনো আঞ্চলিক শব্দের সহজ স্বাদে, আবার কখনো নাগরিক জীবনের সূক্ষ্ম অনুভবে তাঁর গান হয়ে উঠেছে মানুষের অন্তরের কথা বলার ভাষা।
সময়ের সাথে সাথে তাঁর গানের বাণী আরও গভীর ও অন্তর্মুখী হয়ে উঠেছে, যেখানে প্রেম-বিরহের পাশাপাশি জীবনের দার্শনিক উপলব্ধিও স্পষ্ট হয়ে ধরা দেয়। সমাজের বৈষম্য ও বিভেদের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনী কখনো প্রতিবাদী সুরে, আবার কখনো রূপক ও উপমার মাধ্যমে শিল্পিত প্রকাশ পেয়েছে।
রূপক, উৎপ্রেক্ষা, অনুপ্রাসসহ নানা অলংকারের সূক্ষ্ম ব্যবহারে তাঁর গীতিকবিতা হয়ে উঠেছে নান্দনিক ও ভাবসমৃদ্ধ। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন ও ভালোবাসাকে ধারণ করে এই গীতিকবিতা পাঠক ও শ্রোতার মনে গভীর ছাপ ফেলে।