এই তো সেদিনই আমাদের দেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম পাটের জিন মানচিত্র আবিষ্কারের মাধ্যমে জাতিকে গর্বিত করেছেন। তাঁর এই সাফল্য আমাদের জিনবিজ্ঞানের জগতে নতুনভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে।\r\n\r\nআমরা জানি, সন্তানের চেহারা ও বৈশিষ্ট্য অনেকাংশে মা-বাবার মতো হয়—কারণ তার শরীরে বহন করে তাদের জিন। আসলে পৃথিবীর প্রতিটি জীবের গঠন, বৈশিষ্ট্য ও স্বভাব নির্ধারণ করে এই জিনই। এমনকি আমরা যে খাবার খাই, তা ধীরে ধীরে আমাদের শরীরের অংশে পরিণত হয়, আর এই জটিল প্রক্রিয়ার পেছনেও কাজ করে প্রোটিন—যার নির্দেশনা দেয় জিন।\r\n\r\nবর্তমান বিজ্ঞান এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে জিন প্রযুক্তির সাহায্যে ক্লোনিংয়ের মতো বিস্ময়কর বিষয়ও সম্ভব বলে মনে করা হয়। কিন্তু জিন আসলে কী? এটি কীভাবে কাজ করে? মানুষ কীভাবে এর রহস্য উন্মোচন করল? ভবিষ্যৎ কি জিন প্রকৌশলের দখলে যেতে চলেছে?\r\n\r\nএইসব গুরুত্বপূর্ণ ও কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে জীবনের এক দীর্ঘ বৈজ্ঞানিক যাত্রার ভেতর। ‘গল্পে-কথায় জেনেটিক’ বইটি সেই জটিল বিজ্ঞানকে সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরেছে, কার্টুন ও গল্পের মাধ্যমে—যাতে পাঠক সহজেই জিনের অজানা জগৎকে বুঝতে পারে এবং বিজ্ঞানের এই চমকপ্রদ অধ্যায়ের অংশ হয়ে উঠতে পারে।
পাঞ্জেরী সম্পাদনা পর্ষদ














