হিমোগ্লোবিনের প্রতিটি অনুতে আয়রন বা লোহা থাকে। যখন আমরা শ্বাস নিই, তখন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন রক্তে প্রবেশ করে হিমোগ্লোবিনের আয়রনের সাথে যুক্ত হয়। আয়রন এবং অক্সিজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় গঠিত হিম (Heme) অণু সূর্যের বা আলোর লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রতিফলিত করে এবং অন্য তরঙ্গদৈর্ঘ্যগুলো শুষে নেয়। ফলে আমাদের চোখে রক্ত লাল দেখায়।
রক্তের রঙের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
উজ্জ্বল লাল রক্ত: ধমনীর (Artery) রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকায় তা গাঢ় বা উজ্জ্বল টকটকে লাল দেখায়।
গাঢ় লাল বা খয়েরি রক্ত: শিরা (Vein)-র মাধ্যমে ফিরে আসা রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকায় তা কিছুটা গাঢ় বা কালচে লাল দেখায়।
রক্তের নীল দেখানোর বিভ্রান্তি: ত্বকের উপর থেকে হাতের শিরাগুলোকে নীল বা সবুজ দেখালেও মানুষের রক্ত কখনো নীল হয় না। চামড়া ও আলোর প্রতিফলনের কারণে শিরাকে বাইরে থেকে নীল দেখায়।