রাতের নিস্তব্ধতাকে খানখান করে দ্রিম দ্রিম শব্দে বেজে উঠল ঢাক, দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলো আগুনের কুণ্ড। খুঁটিতে বাঁধা গরুটাকে বল্লমের ফলা দিয়ে একের পর এক আঘাত করে চলেছে একদল অর্ধ উলঙ্গ মানুষ, ফিনকি দিয়ে বেরিয়ে আসছে রক্ত।
প্রায় চোদ্দ ফুট লম্বা কিং কোবরার ফণা মাটি থেকে প্রায় পাঁচ ফুট উপরে উঠে এসেছে। মাত্র দুই হাত দূরেই নিশ্চিত মৃত্যু। বাঁচার আর কোনো আশা নেই। তারপরেই হঠাৎ সাপের ফণাটা সোজা নেমে এলো তার বুকের দিকে। তীব্র ছোবলের অপেক্ষায় আপনাআপনি বন্ধ হয়ে এলো দু’চোখের পাতা।
এক লাফে নিজের দলের সামনে এসে দাঁড়ালো মেরুয়া। দুই হাত মাথার উপর তুলে টাঙ্গির এক প্রচণ্ড কোপ চালালো ছুটে আসা বাইসনের মাথা লক্ষ্য করে। কিন্তু মাথার বদলে টাঙ্গি আঘাত হানল বাইসনের শিং-এ। বাইসনের আক্রমণের গতি একটু কমলো না। দ্বিতীয় আঘাত করার আগেই মেরুয়ার দেহটা বাইসনের প্রচণ্ড গুঁতো খেয়ে ছিটকে পরল ১০ হাত দূরে।